মৃত্যুতে সর্বোচ্চ রেকর্ড, আক্রান্ত ছাড়াল ৪৪ হাজার

আজ দেশের সর্বোচ্চ সংখ্যক আক্রান্ত না হলেও রেকর্ড হয়েছে মৃত্যুতে।  গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুর মিছিলে যোগ হয়েছে আরও ২৮ প্রাণ। যা একদিনের সর্বোচ্চ মৃত্যু। ফলে দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো ৬১০ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় ৯ হাজার ৯৮৭ টি নমুনা পরীক্ষা করে বাংলাদেশে আরও ১ হাজার ৭৬৪ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, ফলে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৪৪ হাজার ৬০৮ জন।

করোনার সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে শনিবার (৩০ মে) দুপুর আড়াইটায় সরকারের জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) নিয়মিত বুলেটিনে এতথ্য জানানো হয়।

বুলেটিনে সংযুক্ত হয়ে এ স্বাস্থ্য অধিদফতরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক (অতিরিক্ত মহাপরিচালক প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা জানান,  আক্রান্তদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৩৬০ জন। ফলে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন মোট ৯ হাজার ৩৭৫ জন।

তিনি জানান, মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ২৫ জন পুরুষ এবং তিন জন নারী। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগের ১৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের সাত জন, রংপুর বিভাগের দুই জন এবং সিলেট বিভাগের একজন রয়েছেন।

বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায় যায়, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে দুই জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে তিন জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ছয় জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে চার জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৯ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে চার জন রয়েছেন। এদের মধ্যে হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন ২৬ জন এবং বাসায় মরা গেছেন দুই জন।

২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ১৭ দশমিক ৬৬ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ২১ দশমিক দুই শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৩৭ শতাংশ।

নাসিমা সুলতানা জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে রাখা হয়েছে ৪৬৯ জনকে। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন পাঁচ হাজার ৫২৯ জন। ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশন থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৮০ জন, এখন পর্যন্ত মোট ছাড়া পেয়েছেন দুই হাজার ৮৯০ জন।

তিনি আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাতিষ্ঠানিক ও হোম কোয়ারেন্টিন মিলে কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে দুই হাজার ২২০ জনকে। এখন পর্যন্ত দুই লাখ ৮২ হাজার ২২৫ জনকে কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে। কোয়ারেন্টিন থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় ছাড়া পেয়েছেন দুই হাজার ২১৯ জন, এখন পর্যন্ত মোট ছাড়া পেয়েছেন দুই লাখ ২১ হাজার ৯৪৯ জন। বর্তমানে মোট কোয়ারেন্টিনে আছেন ৬০ হাজার ২৭৬ জন।