বাস, নৌযান ও ট্রেন সীমিত পরিসরে চলবে

স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে, স্বল্পসংখ্যক যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন চালানোর অনুমতি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বিষয়টি বুধবার রাতে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।তিনি বলেন, ‘বাস, ট্রেন ও লঞ্চসহ সব ধরনের গণপরিবহন সীমিত আকারে চলবে। নতুন করে এই সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী সন্ধ্যার পর জানিয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘মোটকথা স্বাস্থ্যবিধি মেনে, স্বল্প সংখ্যক যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন চলবে। গণপরিবহন চলাচলের বিষয়টি আমরা স্থানীয় প্রশাসন থেকে ঠিক করে দেব। গণপরিবহন চালালে তো ঠাসাঠাসি করে চালানো যাবে না। সামাজিক দূরত্ব মেনেই চালাতে হবে। অবশ্যই যাত্রীদের মাস্ক ও গ্লভস ব্যবহার করতে হবে। এগুলো নিশ্চিত করেই মালিকদের গণপরিবহন চলাচলের ব্যবস্থাটা করতে হবে।’
৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি দেয়া হচ্ছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কতটুকু নিয়মকানুন মেনে গণপরিবহন চলাচল করছে সেটা দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত আমরা নেব।’
এর আগে বিকালে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ জানান, সাধারণ ছুটির মেয়াদ আর বাড়বে না। ৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত সরকারি/বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত অফিস নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সীমিত আকারে খোলা থাকবে। তবে সবাইকে ১৩ দফা স্বাস্থ্যবিধি মেনে অফিসে কাজ করতে হবে। তবে বন্ধ থাকবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চলবে।
প্রতিমন্ত্রী গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা লকডাউন একেবারে উঠিয়ে নিচ্ছি না। ধীরে ধীরে সবকিছু চালু হবে।মার্চ মাসের শুরুতে দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী প্রথম ধরা পড়ে। পরিস্থিতি ক্রম অবনতির দিকে যেতে থাকলে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করে সরকার। একই সঙ্গে গণপরিবহন চলাচলের উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
এরপর দফায় দফায় ছুটি বাড়তে থাকে। সঙ্গে বাড়তে থাকে গণপরিবহন চলাচলের নিষেধাজ্ঞাও। সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ৩০ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি থাকবে, সেই পর্যন্ত গণপরিবহনও চলাচলও বন্ধ থাকবে।