বগুড়ার মার্কেট গুলি কাস্টমারের উপচে পড়া ভীড়।

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বাংলাভয়েজ২৪অনলাইন। 
বগুড়ায় মার্কেটগুলোতে উপচে পড়া ভিড় বগুড়ায় মার্কেটগুলোতে উপচে পড়া


লকডাউন শিথিল করে মার্কেট ও দোকানপাট খুলে দেয়ার সরকারি সিদ্ধান্তের পর বগুড়ায় সবধরনের দোকান পাট ও মার্কেটগুলো খোলা হয়েছে।

রোববার সকাল সকাল ১০ টার পর থেকেই শহরের সকল মার্কেট ও দোকান পাট খোলা হয়।


শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, মার্কেট খোলার সাথে সাথে সাথে উপচে পড়া ভিড় শুরু হয়েছে। দূর-দূরান্তের ক্রেতারা সকাল থেকে শহরে আসতে শুরু করে। অনেকেই মার্কেট খোলার অপেক্ষায় সামনে বসে থাকেন। মার্কেটগুলোর মধ্যে শহরের নিউ মার্কেটে ভিড় সবচেয়ে বেশি। তৈরি পোশাকের মার্কেট আল-আমিন কমপ্লেক্স, শেখ সরিফ সুপার মার্কেট, রানার প্লাজা খোলা থাকলেও সেখানে ভিড় তুলনামূলক কম। শহরের জলেশ্বরীতলা এলাকায় তৈরি পোশাকের বিভিন্ন শো-রুম গুলোতে ভীড় এখনও চোখে পড়ার মত নয়।তবে এই শো-রুম গুলোর অধিকাংশ কর্মচারী ঢাকা ফেরত। শো-রুম গুলো ঢাকার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শাখা হওয়ায় ঢাকা থেকেই নিয়ন্ত্রণ করা হয়। সরকারি ছুটি ঘোষণার পর শো-রুম গুলো বন্ধ করে দেয়ায় কর্মচারীরা ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় বাড়িতে চলে যান। অভিজাত কিছু মার্কেট ও শপিং মলগুলোতে জীবাণুনাশক ও ব্যবহারের ব্যবস্থা রাখা হলেও অধিকাংশ মার্কেটগুলোতে কোন বিধি নিষেধের তোয়াক্কা করছেন না ক্রেতা বিক্রেতাগণ।


বগুড়ায় সবধরনের দোকান পাট ও মার্কেটগুলো খোলা হয়েছে
বগুড়া নিউ মার্কেটে আদমদীঘি উপজেলার মজিবর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন মার্কেট বন্ধ থাকায় জরুরি অনেক কিছুই কিনতে পারেন নি। এ কারণে বাধ্য হয়ে শহরের এসেছেন নিজের ব্যবহারি এবং দোকানের কিছু মালামাল কিনতে। তৈরি পোশাক বিক্রির দোকানিরা বলেন, আরো এক সপ্তাহ পর থেকে তাদের দোকানে ভীড় হবে। তখন জীবাণুনাশক ব্যবহারের ব্যবস্থা করা হবে। আবার অনেকেই বলছেন ব্যবসা ভাল না হলে ২-১ দিন পর দোকান বন্ধ করে রাখবেন।

এ দিকে দোকান পাট খোলার কারনে শহরে যানবাহনের চাপ বেড়েছে কয়েক গুণ। লোকজনকে এক উপজেলা থেকে অন্য উপজেলায় যাতায়াত না করার আহবান জানিয়ে শহরে মাইকিং করা হলেও কে শোনে কার কথা। শহরের বিভিন্ন প্রবেশ পথগুলোতে পুলিশের চেক পোস্ট থাকলেও কিছুটা শিথিল করা হয়েছে।

বগুড়া ট্রাফিক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম সরকার বাাংলাভয়েজ ২৪ বলেন, শহরে ব্যাপক চাপ পড়েছে। রিকশা ছাড়াও বিভিন্ন যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করতে ট্রাফিক পুলিশকে হিমশিম খেতে হচ্ছে