আক্রান্তের হার কমছে ঢাকায়, বাড়ছে চট্টগ্রামে

মহামারি আকার ধারণ করা নভেল করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের হার ঢাকা বিভাগে কিছুটা কমেছে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম বিভাগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।

শুক্রবার (১৫ মে) করোনা ভাইরাস বিষয়ক নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘ঢাকা মহানগরী ও এ বিভাগের জেলাগুলোয় করোনায় আক্রান্তের শতকরা হার একটু কমেছে। এর শতকরা হার ৮০ শতাংশের নিচে নেমেছে। আক্রান্তদের ৭৯ দশমিক ৫৪ শতাংশ এখন ঢাকা বিভাগে। আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকা মহানগরীতে ৫৮ দশমিক ১১ শতাংশ এবং বিভাগটির জেলাগুলোতে ২১ দশমিক ৪৩ শতাংশ। ঢাকা বিভাগের জেলাগুলোর মধ্যে নারায়ণগঞ্জেই সর্বাধিক আক্রান্ত।’

নাসিমা সুলতানা বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিভাগে আক্রান্ত বেড়ে যাচ্ছে। সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী মোট আক্রান্তদের মধ্যে ৮ দশমিক ৪৭ শতাংশ এ বিভাগে। তারপরেই রয়েছে ময়মনসিংহ, সেখানে এর হার ৩ দশমিক ৫০ শতাংশ। এরপর রংপুর বিভাগে ২ দশমিক ৫৩ শতাংশ, সিলেটে ১ দশমিক ৫৪ শতাংশ, রাজশাহীতে ১ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং বরিশাল ১ দশমিক ১০ শতাংশ করোনায় আক্রান্ত।’

এদিকে চট্টগ্রামের তিনটি করোনা ল্যাবে একদিনে নতুন করে ৬১ জনের নমুনায় করোনা শনাক্ত হয়েছে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে এক ট্রাফিক পুলিশের কনস্টেবল।

শুক্রবার দুপুরে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত তিনটি ল্যাবে পরীক্ষা করা নমুনায় সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী চট্টগ্রামে একদিনে ৬১ জন পজিটিভ পাওয়া গেছে।

সিভিল সার্জন বলেন, এর মধ্যে নগরের বাসিন্দা ৫১ জন। বাকি ১০ জন চট্টগ্রামের পটিয়া, রাঙ্গুনিয়া, বাঁশখালী, বোয়ালখালীর বাসিন্দা। নতুন শনাক্তদের তালিকায় দুজন চিকিৎসক, দুজন পুলিশ সদস্য ও একজন সাংবাদিক রয়েছেন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন চারজন। আইসোলেশন থেকে ছাড়া পেয়েছেন একজন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন একজন।