কবে যাবে করোনা, এগিয়ে আসছে নতুন মহামারি- জেনে নিন ভবিষ্যদ্বাণী

এসময় রাজা-মহারাজাদের রাজসভায় রাজসভায় জ্যোতিষী থাকতেন। তারা গ্রহ, নক্ষত্র বিচার করে ভাগ্য গণনা ও শুভ-অশুভ বলে দিতেন। রাজতন্ত্রের কাল শেষ হলেও ভাগ্যে বিশ্বাস করে না এমন মানুষও জানতে চায় নিজের ভাগ্য, জানতে চায় ভবিষ্যত। সেজন্যই জ্যোতিষীও এখনও সমাজে রাষ্ট্রে সমহিমায় রয়ে গেছেন।  

আধুনিক বিশ্বে বিভিন্ন বড় বড় খেলা, যুদ্ধ কিংবা মহামারি নিয়ে জ্যোতিষীরা ভবিষ্যত বাণী করেন। বিশ্বকাপের শুরুতেই অক্টোপাস যেমন বলে দেয় কারা হবে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন কিংবা ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ম্যাচে জিতবে কে?

বর্তমানে করোনা ভাইরাসে কাঁপছে গোটা বিশ্ব। বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী দেশগুলোও কূল-কিনারা পাচ্ছে না। বিজ্ঞানীদের কাছেও নেই সমাধান। সবার মনে এক প্রশ্ন- কবে দূর হবে এই করোনা ভাইরাস? 

গেল বছর আগস্টে ইউটিউবে ‘Severe Danger To The World From Nov 2019 To April 2020’ নামে একটি ভিডিও প্রকাশ হয়েছিল। সেই ভিডিওতেই অভিজ্ঞ আনন্দ নামে এক কিশোর করোনা ভাইরাসের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। কিন্তু তখন তার সেই ভবিষ্যদ্বাণী কেউ নজরে নেয়নি। ওই ভিডিওতে তিনি বলেছিলেন, ২০১৯ সালের নভেম্বর থেকে ২০২০ সালের এপ্রিল- বড় সংকটে পড়বে বিশ্ব। তবে মে মাসের পর থেকে সংকট ধীরে ধীরে কেটে যাবে। 

গেল বছরের সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত সেই ভিডিওতে আনন্দের ভবিষ্যদ্বাণী কেউ পাত্তা না দিলেও শেষ পর্যন্ত তার কথাই সত্যি হয়। ডিসেম্বরেই চীনে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব সনাক্ত হয়। যা এখন গোটা বিশ্বে লাখ লাখ মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। 

সম্প্রতি আরেকটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন সেই কিশোর আনন্দ। সেখানে এই ক্ষুদে জ্যোতিষী দাবি করেছেন, ৩১ মে’র পরও সুখবর পাবে না বিশ্ববাসী। এজন্য জুন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

একইসঙ্গে নতুন ভিডিওতে আরও একটি ভবিষ্যদ্বাণী দিয়ে আনন্দ জানিয়েছেন, ২০২০ সালের ডিসেম্বরে পৃথিবীতে নতুন একটি ভয়াবহ বিপর্যয় দেখা দেবে। যা স্থায়ী হবে ২০২১ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত। 

বিস্ময় বালক হিসেবে পরিচিত জ্যোতিষী আনন্দের এই ভবিষ্যদ্বাণী যদি সত্যি হয় তবে করোনা মহামারি কাটিয়েও আসন্ন নতুন কোনও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য বিশ্বকে প্রস্তুতি নিতে হবে। 

ভিডিও বার্তায় শুধু ভবিষ্যদ্বাণীই নয়, করোনা সংকটকালে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে সুস্থ থাকারও পরামর্শ হিসেবে তুলসি পাতা খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। করোনা ঠেকাতে পানিতে কাঁচা হলুদ, জোয়ান ও আদা গরম করে ভাপ নিতে বলেছেন। তাতে নাক বা কান দিয়ে ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করতে পারবে না।