যেসব শর্তে মসজিদে নামাজ পড়তে পারবেন মুসল্লিরা

আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৭ মে) থেকে রাজধানীসহ সারা দেশের মসজিদগুলো সাধারণ মুসল্লিদের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হচ্ছে। বুধবার (৬ মে) দুপুরে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব সাখাওয়াত হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মসজিদে পাঁচ ওয়াক্তের নামায, জুম্মার নামায ও তারাবির নামায জামায়াতে পড়া যাবে। তবে মসজিদে প্রতি ওয়াক্তের আগে জীবাণুনাশক দিয়ে পরিস্কার করতে হবে এবং যার যার জায়নামাজ নিয়ে মসজিদে নামায পড়তে হবে। এছাড়াও প্রত্যক মুসল্লীকে মাস্ক পড়তে হবে।

যেসব শর্তে মসজিদে নামাজ পড়তে পারবে মুসলিরা

>> মসজিদের কার্পেট বিছানো যাবে না।
>> মসজিদের সংরক্ষিত জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করা যাবে না।
>> পাঁচ ওয়াক্তের নামাজের পূর্বে সম্পূর্ণ মসজিদ জীবাণুনাশক দ্বারা পরিষ্কার করতে হবে মুসল্লিগণ প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে আসবেন।
>> মুসল্লিদের প্রবেশদ্বারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার অথবা হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ সাবান পানি রাখতে হবে ।
>> আগত মুসল্লীরা অবশ্যই মাস্ক পড়ে মসজিদে আসতে হবে।
>> প্রত্যেককে নিজ নিজ বাসা থেকে অজু করে সুন্নত নামাজ ঘরে আদায় করতে হবে।
>> প্রত্যেকে নিজ নিজ বাসা থেকে অজু করে সুন্নত নামাজ ঘরে আদায় করে মসজিদে আসতে হবে এবং ওযু করার সময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।
>> কাতারে নামাজে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক দ্রুত অর্থাৎ তিন ফুট পর পর দাঁড়াতে হবে। প্রতি এক কাতার অন্তর অন্তর কাতার করতে হবে।
>> শিশু, বয়স্ক ও যেকোনো অসুস্থ ব্যক্তি এবং অসুস্থদের সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তি মসজিদে জামায়াতে অংশগ্রহণ করতে পারবে না।
>> সংক্রমণ রোধ নিশ্চিতকল্পে মসজিদের ওজুখানা সাবান ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে।
>> মসজিদে ইফতার ও সেহরীর আয়োজন করা যাবে না।
>> সর্বসাধারণের সুরক্ষার নিশ্চিতকল্পে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ স্থানীয় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

উল্লেখিত শর্ত পালন সাপেক্ষে প্রত্যেক মসজিদে সর্বোচ্চ পাঁচজন নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে ইতিকাফের জন্য অবস্থান করতে পারবেন।

করোনা ভাইরাস মহামারী থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নামাজ শেষে মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে দোয়া করার জন্য খতিব-ইমামগণ কে অনুরোধ করা যাচ্ছে। খতিব-ইমাম এবং মসজিদ পরিচালনা কমিটির বিষয়গুলো বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয় উল্লেখিত নির্দেশনা লঙ্ঘিত হলে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল দের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে প্রাণঘাতী কোন ভাইরাস সংক্রমণ রোধে স্থানীয় প্রশাসন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট মসজিদের পরিচালনা কমিটিকে নির্দেশনা বাস্তবায়ন করার জন্য অনুরোধ জানানো হল।