ঈশ্বরদীতে আ.লীগ নেতাকে মারধর; মেয়রসহ ৭জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

পাবনার ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগ নেতাকে পেটানোর অভিযোগে পৌর মেয়র, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুর কালাম আজাদ মিন্টুসহ ৭ জনের নামে থানায় অভিযোগ করেছেন মারপিটের শিকার পৌর ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কাশেম গোলবার (৫৫)।

এই ঘটনায় সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিবও (৬০) গুরুতর আহত হন।
 
বৃহস্পতিবার (০৭ মে) দুপুরে মারপিটের শিকার আবুল কাশেম গোলবার স্বাক্ষরিত অভিযোগপত্র তার পুত্র সান ইশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট দাখিল করেছেন। তবে  ওই অভিযোগ পাওয়া বিষয়টি অস্বীকার করেছেন ওসি।
 
লিখিত অভিযোগে জানা যায়, বুধবার সকালে ঈশ্বরদী পৌর মার্কেটের সামনে সবজি বাজারে আলমগীর হোসেন ও শফিকুল ইসলামসহ কতিপয় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ কর্মী আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কাশেম গোরবারকে লাঠি ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এ সময় গোরবারকে রক্ষা করতে আওয়ামী লীগ নেতা হাবিবুর রহমান হাবিব এগিয়ে এলে তাকেও পিটিয়ে আহত করা হয়। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে ঈশ্বরদী সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
 
থানা বরাবর লিখিত অভিযোগে এই ঘটনায় অভিযুক্ত করা হয়েছে, ঈশ্বরদী পৌর মেয়র, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ মিন্টু, মো. শফিকুল ইসলাম, মো. আলমগীর হোসেন, মো. জাহাঙ্গীর, মো. ছইমুদ্দিন, মো. নুরুজ্জামান ও মো. জনি। 

ঈশ্বরদী পৌর আওয়ামী লীগের সম্পাদক ইছাহাক মালিথা জানান, গোরবার একজন দক্ষ ও আওয়ামী লীগ নেতা। দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সাথে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে আসছেন। হাটের চাঁদাবাজির ঘটনা নিয়ে একজন আওয়ামী লীগ নেতাকে মারধর করবে এটি মেনে নেয়া যায় না। এদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থার পাশাপাশি দলের সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা করতে হবে। তা না হলে দরের শৃঙ্খলা বলে কিছু থাকবে না। এ সব চাঁদাবজ ও সন্ত্রাসীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও জানান তিনি।
  
এদিকে ঈশ্বরদী পৌর যুবলীগের সভাপতি আলাউদ্দিন বিপ্লব ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শিরহান শরীফ তমাল দাবি করেছেন, আওয়ামী লীগ নেতাদের মারপিট করার ঘটনাটা নিন্দনীয়। যারা এর সাথে জড়িত, তাদেরও অবশ্যই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত। 

তারা দাবি করেন, এ ঘটনার সাথে জড়িতরা কেউ যুবলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত নন। 
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহাউদ্দিন ফারুকী এ ধরণের কোন ঘটনা তার কানে আসেনি। আর কেউ অভিযোগ থানায় দায়ের করেননি। অভিযোগ পেলে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।