ফ্রি গোলাপ ফুল সার্ভিস

দেশী ভাবী

বন্ধুরা আমি কাসেম।  ভালবাসা দিবসে ভালবাসার টিপস কাজে লাগিয়ে বন্ধুর আদরের বউ কে ভুগ করে মনটা খুব ফুরফুরে। আমি একজন নাম করা নেতা।  ভালবাসা দিবসের এক সপ্তাহ আগেই চিন্তা করে রেখেছিলাম এইবার নতুন কোন দান্ধা বের করতে হবে যাতে করে  নেতামিও করা যায় আবার কামের কাম সারা যায়, তাই আমার পল্লী  বন্ধু এডভুকেট রাজিব কে কল করে বললাম ভালবাসা দিবসে নতুন দান্দা করার মত কোন বুদ্দি আছে কি? কথা বলতেই
বল্ল- সালা তুই আজে বাজে বুদ্দির জন্য আমার কাছে কেন কল করিস বুজি না। বন্দু আমার কোন নতুন বুদ্দি দিবে না, আমিও নাছুর বান্দা বললাম কি জন্য দিবি না। রাজিব বল্ল- তার বউ বলেছে  ভালবাসা দিবসের জন্য কাউকে কু-বুদ্দি কিংবা জ্ঞান না দিতে। আমি হেসে বললাম বুদ্দি দিলে ৫০০ টাকা ফেক্সিলোড গিফট করব।  এ কথা সুনতেই বন্ধু বল্ল ঠিক আছে এক গনটা পরে আমি তকে কল করে বুদ্দি দিচ্ছি এর মধ্যেই ফেক্সিলোড তুই আমার নাম্বারে না পাঠিয়ে আমার বউ সায়মার মোবাইলে সেন্ড কর।  আমি আবারও হেসে বললাম বন্ধু চিন্তা কর না আমি এখুনি টাকা পাঠিয়ে দিচ্ছি। কল কেটে কিছুখন একা একা হেসে দুকানে গিয়ে ৫০০টাকা পাঠিয়ে বসে আছি বন্ধুর কলের অপেক্ষায়।  প্রায় আধা ঘণ্টা পর বন্ধু রাজিব কল করেই বল্ল – বেশি কথা বলার সময় নাই, তুই আমার বুদ্দি সুন তারপর কথা বলবি। আমি বললাম ঠিক আছে বন্ধু। রাজিব বল্ল- ভালবাসা দিবসের দিন সকাল থেকে রাত পর্জন্ত সুন্দর সুন্দর মেয়ে এবং ভাবি দের বাসায় ফ্রি গোলাপ ফুল সার্ভিস দিবি, কেউ কোন প্রশ্ন করলে বলবি আপনার প্রিয়জনের জন্য আমার এই সামান্য উপহার। আমি বল্লাম বন্ধু এইটা অনেক মজার বুদ্দি অনেক টাকা খরচ হবে। বন্ধু বল্ল- বেশী না মাত্র পনের বিশটা গোলাপ ফুল এনে ট্রাই করে দেখতে পারিস, মনে হয় তেমন বেশী টাকা নষ্ট হবে না। বন্ধু রাজিবের কথা সুনে বললাম এই রকম বুদ্দি কোথায় থেকে শিখেছিস। বন্ধু রাজিবের স্পষ্ট জবাব তর ভাবী মানে আমার বউ সায়মার কাছ থেকে নেওয়া।  আমি হেসে বললাম বন্ধু সায়মা ভাবী যেহেতু বুদ্দি দিয়েছে কাজ অবশ্যই হবে। তারপর কল কেটে দিয়ে কিছুক্ষণ চটি৬৯ এ গল্প পড়ে কিছু বুদ্দি নিয়ে আমি নিজে নিজে চিন্তা করলাম ১৫-২০ ফুল কিনে কি লাভ, শুধু একটি ফুল কিনলেই হল।  কথা মত ভালবাসা দিবসের দিন  সকাল বেলা একটি ফুল কিনে বাসায় রেখে দিলাম, তারপর বিকেল বেলা ফুলটা হাতে নিয়ে বন্ধু রাজিব কে কল করলাম আর বললাম একটাও জুটাতে পারলাম না, আমার ৫০০ টাকা ফেরত দে। বন্ধু বল্ল টাকা ফেরত দেওয়া যাবে না, আমি বললাম আমি এখুনি তর বাসায় আসছি। আমি জানি সে এখন তার বউ সায়মা কে বলবে বুদ্দি কাজে দেয় নি, তাই বন্ধু কাসেম এখন বাসায় আসছে, আমি পাশের দুকানে গেলাম। আমি সময় নষ্ট না করে গোলাপ ফুল হাতে নিয়ে বন্ধু রাজিবের বাসার সামনে গিয়ে দেখি লাল কাপড় পরে তার বউ মানে সায়মা ভাবী বারান্দায় দারিয়ে আছে। আমাকে দেখেই মুচকি মুচকি হাসছে আমি এগিয়ে গিয়ে ফুলটা হাতে দিয়ে বললাম এটা আপনার প্রিয় জনের জন্য আমার ফ্রি উপহার। একথা বলতেই ভাবী বল্ল জানি কাসেম ভাই ফুল কিনতে অনেক টাকা নষ্ট করেছেন, আর সারাদিন কত কষ্ট করেছে আর আপনার বন্ধু রাজিব কে দেখুন একজন কে একটি বুদ্দি দিয়েই ৫০০টাকা নিয়ে নেয়। আমি বললাম ভাবী এটা তার পেশা কিন্তু ভালবাসা দিবসে একটা মেয়ে কিংবা ভাবী পটানু আমার নেশা। আমার কথা সুনে ভাবী বল্ল রুমে আসুন অনেক কথা আছে আপনার সাথে, রুমে ডুকতেই ভাবী দরজা লাগিয়ে দিল- আর বল্ল আপনার বন্ধু রাজিব পাশের দুকানে আছে আপনার সামনে সে আজ আসবে না, আপনি যা খরচ করেছেন চাইলে এখুনি তা উসুল করে নিতে পারেন। আমি বললাম কি করে উসুল করব বুজতেছিনা, ভাবী জরিয়ে দরে পেন্টের উপর এক হাত দিয়ে বল্ল এখন বুজেছেন?  আমি বুজেও না বুজার ভান করে বললাম শুধু কি উপরেই হবে না ভিতরেও।  ভাবী রেগে বল্ল সব কথা আমি বলে দিলে আপনি কি জন্য।

কথা সুনে মাতায় আগুন দরে গেল, তাই আমিও জরিয়ে পাছাটা খামচে ধরে আমার শরীর এর মধ্যে টেনে আনলাম। তারপর, সায়মা ভাবির ঠোট অনেক খন ধরে চুসলাম, উনার গাউন এর কাধের স্ত্রাপ  স্লীপ করে নামিয়ে দিলাম। এরপর,  বড় বড় সুন্দর দুই টা দুধ আমি ধরে কচলানো শুরু করলাম- ভাবির দুধে কোনো এরলা নাই- শুধু বড় লাল একটা নিপল- আমি চুষে কামড়ে অস্থির করে দিলাম, ভাবী শুধু উঃ অঃ করে যাচ্ছেন।  হটাৎ করে সায়মা ভাবী আমার বুকে চুমু দিতে দিতে নীচে এসে ধোন মুখে নিয়ে চুষতে লাগল। তারপর নিজেই চিত হয়ে শুয়ে দু’পা ফাক করে আমার ধোন তার গুদের ফুটোয় সেট করে দিয়ে বলল, ঢোকান তারাতারি প্লিজ আর সময় নষ্ট করবেন না যা করার তারাতারি করুন।  আমিও তাড়াহুড়া করে ঢোকাতে গিয়ে পিছলে বের হয়ে গেল। ভাবী মুচকি হেসে বলল, বোকা কোথাকার, এখুনু ডুকাতে জানে না আবার ভালবাসা দিবসে জিনিস খুজে। তারপর, আবার শুয়ে আবার ধোন নিয়ে একটু গুদেরে ভেতরে দিয়ে বলল, চাপ দেন এবার। এবার চাপ দিতেই পুচ করে পুরো ধোন ঢুকে গেল। মনে হল সর্গে প্রবেশ করেছে আমার মহাশয়। আমি প্রচন্ড শক্তি দিয়ে ঠাপাচ্চি। সায়মা ভাবী উহহহহহহহহহহ, ইসসসসসসসসস করছে। খাটে ক্যাচ ক্যাচ শব্দ হচ্ছে। ঠাপ দেওয়ার সঙেগ সঙগে সায়মা ভাবীর বিশাল সাইজ দুধ টিপছি। আমার মাল প্রায় বের হবে, বুঝতে পারছি। চারপাশে অন্দকার দেখতে দেখতে, সায়মা ভাবির  গুদের ভেতর মাল ঢেলে দিলাম। মাল ঢেলে কিছুক্ষণ ওর বুকের উপর শুয়ে থাকলাম। তার কিছুক্ষণ পর আমার হুস ফিরল, আমি বুকের উপর থেকে উঠেই ভাবি কে বললাম না বুজে আমি মাল ডেলে দিয়েছি আমাকে মাফ করে দিন। সায়মা ভাবী আমাকে অবাক করে দিয়ে বল্ল- মাফ নেই বাচ্চার আসল বাপ হবার জন্য তৈরি থাকুন। আমি হেসে বললাম একি বলছেন ভাবী সত্যি কি বাচ্চার আসল বাপ বানিয়ে দিবেন? ভাবী বল্ল কোর্স কমপ্লিট করতে আরও কয়েক দিন আপনাকে আমাদের বাসায় আসতে হবে, আপনার বন্ধুর কোর্স কমপ্লিট করার সময় নেই সে শুধু ভাল মানুষ কে কু-বুদ্দি দিয়ে টাকা রোজগার করে । আমি হেসে বললাম যখন ক্লাসের সময় হবে আমাকে শুধু তিনটে মিস কল দিবেন, চলে আসব কোর্স কমপ্লিট করার জন্য।