করোনাই আইসিসিতে মেয়াদ বাড়াচ্ছে মনোহরের!

আগামী জুন মাসেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সভাপতি পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা শশাঙ্ক মনোহরের। তবে করোনাভাইরাস মহামারির কারণে সম্ভবত আরও দুই মাস থেকে যাচ্ছেন ভারতীয় ক্রিকেট প্রশাসক।
শশাঙ্ক মনোহর তৃতীয় দফায় (দুই বছর মেয়াদ) আর আইসিসির সভাপতি পদে আসতে চাইছেন না বলেই মোটামুটি জানে ক্রিকেট বিশ্ব। তার উত্তরসূরি হিসেবে সবচেয়ে জোরালোভাবে উচ্চারিত হচ্ছে ইংল্যান্ড ও  ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) চেয়ারম্যান কলিন গ্রেভসের নাম।
সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের কাছে আইসিসির এক বোর্ড সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, ‘এটি নিশ্চিত যে মনোহর যাচ্ছেন। তবে বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জুনে খুব সম্ভবত বোর্ড মিটিং হবে না। আর সেজন্যই সম্ভবত আরও দুই মাস তিনি (মনোহর) থেকে যাচ্ছেন। আগস্টেই হয়তো আইসিসি নতুন একজন চেয়ারম্যান পাবে।’
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) অনেকের সঙ্গেই শশাঙ্ক মনোহরের সম্পর্কটা ভালো নয়। সুতরাং আইসিসিতে মহারাষ্ট্রের এই অভিজ্ঞ আইনজীবীর দুই মাস বাড়তি থাকাটাও ওই কর্মকর্তাদের কাছে ভালো ঠেকছে না। ‘মনোহর যতক্ষণ পর্যন্ত না আনুষ্ঠানিকভাবে সরে দাঁড়াচ্ছেন, ততক্ষণ পর্যন্ত আমি কিছুই বিশ্বাস করি না। দেখেই বিশ্বাস করতে চাই। তার একটি মেয়াদ এখনও বাকি। যদি তিনি শেষ মুহূর্তে মেয়াদ পূর্ণ করে যেতে চান, সেটি হবে অন্য গল্প।’-বলেছেন বিসিসিআইয়ের এক প্রবীণ সদস্য।
এর আগে হংকংয়ের ইমরান খাজার নাম বাতাসে ভেসে বেড়িয়েছে মনোহরের উত্তরসূরি হিসেবে। কিন্তু আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশগুলির সমর্থন পাচ্ছেন না বলেই তিনি পেছনে পড়ে গেছেন। এখন দৃশ্যপটে কলিন গ্রেভস, ইসিবির চেয়ারম্যান পদ থেকে যার সরে দাঁড়ানোর কথা আগামী নভেম্বরে।
আইসিসি বোর্ড রুমের রাজনীতি সম্পর্কে যাদের একটু ধারণা আছে তারা জানেন, এমন পরিস্থিতিতে প্রধান টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর সমর্থনই গ্রেভসের জন্য সুবিধার। ভারত হয়তো সরাসরি গ্রেভসকে সমর্থন করে না, তবে ধারণা করা যায় মনোহরের চেয়ে গ্রেভসের সঙ্গেই ভারতের ক্রিকেটীয় সম্পর্কটা ভালো হবে। কারণ বিসিসিআই বারবার মনোহরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে এসেছে যে এন শ্রীনিবাসনের মতো ভারতের স্বার্থ তিনি দেখেন না।